ঢাকা, সোমবার, ২৪শে জুন ২০১৯ , ১০ই আষাঢ় ১৪২৬, রাত ৮:২২

ত্যাজ্যছাত্র

এক.

ত্যাজ্যপুত্রের ধারনা আমাদের সমাজে থাকলেও ত্যাজ্যছাত্র বলে কোন শব্দ সমাজে প্রচলিত নেই। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অনুসারে ত্যাজ্যপুত্র ধারনাটি ধর্মবিরুদ্ধ হলেও অনেকের মাঝে এই ধারনাটি খুব পোক্তভাবে মনের মাঝে গেঁথে গেছে। সাধরনত ত্যাজ্য বলতে ডিজওউন করে দেয়া বোঝায়। ত্যাজ্যপুত্রের কোন কর্মকান্ডের দায় তার পিতা নিতে অস্বীকার করেন, এমনকি জন্মসূত্রে পৈত্রিক সম্পত্তি/পারিবারিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্ছিত হয় সন্তান। কিন্তু এর সাথে ছাত্রের সংশ্লিষ্টতা কোথায়?

ত্যাজ্যছাত্র শব্দটি অপ্রচলিত হলেও খুব শীগ্‌গিরই এটি বহুল প্রচলিত হয়ে উঠবে বলে আমার ধারনা। সেক্ষেত্রে এই শব্দটির প্রবর্তক হিসেবে আমার খানিকটাও গর্বও হয়ত হবে। তবে ঢের বেশী হবে লজ্জা। কারন ত্যাজ্যছাত্র শব্দটি যে অর্থে এবং যে কারনে ব্যবহার করছি তা সুখকর কোন কিছু নয়।

দুই.

এবছর পঞ্চাশের বেশী পরিচিত ছোট ভাই-বেরাদার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এরা জেএসসিও দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মূল ধারার পাবলিক পরীক্ষা বলতে ম্যাট্রিক আর ইন্টারকেই বোঝায়। ড. জাফর ইকবাল সাহেবদের পিএসসি আর জেএসসির মত ছাত্রদের ভোগান্তি বাড়ানি পরীক্ষাগুলো আমাদের ব্যাগে বাড়তি বই আর প্রাইভেট টিউশনি কিংবা কোচিং সেন্টারগুলোতে অতিক্রান্ত ঘন্টার সংখ্যা বাড়ালেও আবহমান চিন্তাধারা বদলাতে পারে নাই। যতই জেএসসি আর পিএসসি আসুক না কেন, পাবলিক পরীক্ষা বলতে ঐ ম্যাট্রিক আর ইন্টারই বোঝায়। এটার পরিবর্তন হত যদি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির সাথে সাথে ফাইভ-এইটের পরীক্ষাগুলোর সার্টিফিক্যাটের ভ্যাল্যুও কিছুটা বাড়ত। সিক্স বা নাইনে ভর্তি হওয়া ছাড়া যে পরীক্ষাগুলোর দুই পয়সা দাম নাই ঐ পরীক্ষা কেনই বা গুরুত্ব পাবে?

গুরুত্ব কিন্তু একেবারে যে কম তা না। যেই বাবা-মা পিএসসি-জেএসসির পর এই ধুয়ে পানি খাওয়া অযোগ্য পরীক্ষার ভ্যাল্যু নিয়ে হাসাহাসি করেন তিনিও কিন্তু পরীক্ষার দুই মাস আগে এই পরীক্ষায় ভাল করতে না পারলে তোর জনম বৃথা মার্কা ভাব প্রকাশ করতে কুণ্ঠা বোধ করেন না। ভ্যাল্যু আসলেই কম, তবে তা শুধুই পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ছাত্ররা বুঝতে পারে। পরীক্ষার আগে কিংবা পরীক্ষা চলাকালে বাপ-মা কিংবা পাড়া প্রতিবেশীর হাবেভাবে মনে হয় পরীক্ষা তো নয় যেন সাক্ষাত পুলসিরাত। পরীক্ষায় খারাপ করলে গঞ্জনা আছে, লুকিয়ে লুকিয়ে কান্নার স্কোপ আছে, হীনমন্যতার আহ্বান আছে। কিন্তু ভাল করলে? ভাল করলে কোন ক্রেডিট নাই। ধুর, এইটা কোন পরীক্ষা হইল? এই পরীক্ষায় তো সবাই ভাল করতে পারে। এইসব পিএসসি-জেএসসি দিয়ে কাম নাই। সামনে এসএসসি, ঐটাই আসল। জেএসসসির সার্টিফিকেট দিয়ে কি হয়? ম্যাথর-সুইপারের চাকরি ছাড়া তো কিছুই যোগার করতে পারবা না। ব্লাহ ব্লাহ।

এ যেন বাংলাদেশ-কেনিয়া ক্রিকেট ম্যাচ। বাংলাদেশ জিতে গেলে এটাই স্বাভাবিক। বাড়তি কোন আনন্দ বা ক্রেডিট নেই। কোন বাহ্বা নেই, কোন সাবাশি নেই। কিন্তু হেরে গেলে? জাত গেল জাত গেল রব উঠে যায়।

সে যাকগে, কথা হচ্ছিল এসএসসি নিয়ে। ইমিডিয়েট জুনিয়র ব্যাচ বলেই কিনা, এ ব্যাচের ছাত্রদের সাথে ভাল সখ্যতা-পরিচয় আছে। এদের অনেকের সাথে একসাথে ক্রিকেট খেলেছি, ফোর-ফাইভে থাকতে ক্যাচ-ক্যাচ খেলেছি। জুনিয়র-সিনিয়র বাজি ম্যাচও খেলেছি বিস্তর। আলাদা একটা ভালবাসা আছে ওদের প্রতি।

এই ছেলেগুলোর বেশিরভাগই মেধাবী। নাহিদ টাকলা উপস, নাহিদ মন্ত্রীর মানদন্ডেও আবার বাস্তবতার মানদন্ডেও। এদের প্রত্যেকের মাঝে বিল গেটস হওয়ার সম্ভাবনা আছে, আইনস্টাইন হওয়ার ক্ষমতা রাখে ওরা। আমার কাছে বিল গেটস-আইনস্টাইনদের চেয়েও বেশী প্রতিভাধর মনে হয় ওদেরকে। মনে হওয়াটা ভুলও হতে পারে, কিন্তু মনে হওয়ার পেছনের যুক্তিটা একেবারে হেসে উড়িয়ে দিতে পারবেন না আপনি। আইনস্টাইনদেরকে একাডেমিক পড়ার চাপ সামলাতে হয়নি। ওরা নিজেদেরকে নাহিদীয় শিক্ষাব্যবস্থার জিঞ্জির থেকে মুক্ত করে স্বাধীনভাবে বড় হয়েছে। কিন্তু এই জেনারেশনটা এক দিকে ফটোগ্রাফিতে কাজী আরেফিন হয়ে উঠছে, আরেকদিকে এ প্লাস- গোল্ডেন এ প্লাসেরও অঙ্ক কষতে হচ্ছে।

তিন.

শিক্ষাজীবনের আট বছর কাটিয়েছি রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে। জীবনের সেরা সময়গুলো, সেরা মুহুর্তগুলো এখানেই কাটিয়েছি। এখানেই প্রথম ‘ভাল ছাত্র’ হওয়া, প্রথম তিন গোয়েন্দা পড়া, প্রথম মারিয়ো পুজোর সাথে পরিচয়। বিতর্ক আর বক্তৃতাও শিখেছি রেসিডেনসিয়ালে। ঘাসে ঢাকা মাঠে প্রথম ক্রিকেটও খেলেছি এখানে এসেই। বড় হওয়া, দুষ্টামি, বাদরামি, খানিকটা না বরঞ্চ অনেকখানি নষ্টামিও এখানেই। ভালবাসার পুরোটা আকাশজুড়ে তাই রেসিডেনসিয়াল। সুখস্মৃতি? রেসিডেনসিয়াল। দুঃস্বপ্ন? ওটাও রেসিডেনসিয়াল। রেসিডেনসিয়াল থেকে চলে যাওয়া বা চলে যেতে বাধ্য হওয়াটা কতটা কষ্টের সেটা যে কয়জন টের পায় তার মধ্যে আমি একজন।

রেসিডেনসিয়াল থেকে এবছর এসএসসি পাশ করা অনেক ছেলে আছে যারা এ প্লাস পায়নি। আমার পরিচিতদের মধ্যেই আছে। ওরা নাকি কলেজে ভর্তি হতে পারবে না! পরে মিলিয়ে দেখলাম আসলেই পারবে না! এখান থেকেই এসএসসি দিয়েছে তবুও এখানকার কলেজে ওরা ভর্তি হতে পারবে না। কারন? কারন ওরা তো এ প্লাস পায়নি।

ওদের পক্ষে কথা বলার কেউ নাই। প্রিন্সিপাল সুবহানী স্যার। ক্যাম্পাসের অনেক উন্নয়ন করেছেন। মেইন গেইটটা লাখ লাখ টাকা খরচ করে নতুন করে তৈরী করছেন। পানির কলগুলো আরো উন্নত, আরো আধুনিক করেছেন। কলের পারগুলো পাকা করে দিয়েছেন। পুকুর শুকিয়ে ফেলেছেন, খুব দ্রুতই ওখানে ঝা তকতকে সুইমিং পুল তৈরী হবে শুনেছি। মসজিদটাও নতুন করে রঙ করা হয়েছে। সবচেয়ে সুন্দর হয়েছে স্যারের বাসাটা। নতুন বাউন্ডারি, নতুন গেট। দূর থেকে দেখে প্রাসাদই মনে হয়।

স্যার, আপনি কি একবার ওদের দিকটা দেখবেন? এই ছেলেগুলো যখন ভাল রেজাল্ট করে তখন আপনিই ওদের সাথে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন, রেডিমেড নোটিশে কততম হয়েছে প্রতিষ্ঠান সেটা বসিয়ে নিচে লিখে দেন- টিচিং স্টাফদের পরিশ্রমে ওরা ভাল ফলাফল এনেছে। এদের সাফল্যকে পুঁজি করে আপনাদের গ্রেটনেস রচিত হয়। অমুক স্যার প্রিন্সিপাল থাকাকালে আমরা এত্ত ভাল রেজাল্ট করেছিলাম। এই ছেলেগুলোর রেজাল্টকে মূলধন বানিয়ে কলেজের বিজ্ঞাপন আসে। হাজার হাজার ভর্তি এপ্লিক্যাশন আসে। কলেজের সুনাম বাড়ে, বাড়ে আপনারও সুনাম।

যে ছেলেগুলোর ভাল রেজাল্টকে পুঁজি করে আপনাদের আপনি হয়ে ওঠা, রেসিডেনসিয়ালের রেসিডেনসিয়াল হয়ে ওঠা সেই ছেলেগুলোকে আজ ত্যাজ্য করে দিচ্ছেন কেন? নিজের প্রতিষ্ঠানে পড়ার অধিকার কেড়ে নিচ্ছেন কেন? কোন ছেলে যদি বখে যায় তার দায় কি শুধু ছেলের একারই? বাবার বা পরিবারের কি কোনই দায় নেই? শুধুই ডিজওউন করে দিয়ে কি তাঁরা দায়মুক্তি পেতে পারেন? যদি তা নাহয় তাহলে কেন আজ এই ত্যাজ্যছাত্রের সংস্কৃতি আমাদেরকে দেখতে হচ্ছে?

চার.

আমি রেসিডেনসিয়ালে পড়েছি। রেসিডেনসিয়ালের ছাত্রদের সাথে পরিচয় ভাল। একারনে রেসিডেনসিয়ালের প্রসঙ্গ আসল। এই ঘটনা কিন্তু শুধু রেসিডেনসিয়ালে ঘটছে না। কিংবা একে পুঁজি করে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি রেসিডেনসিয়ালের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান তাঁর/তাঁদের প্রতি একরাশ করুনা। দেশের সবগুলো প্রথম সারির স্কুল এন্ড কলেজে একই অবস্থা। সাফল্যের ভাগ সবাই চায়, কিন্তু ব্যর্থতার দায় শুধু চৌদ্দ-পনের বছরের ঐ কিশোরটির একার। তার ব্যর্থতা নামের ঐ অখাদ্য পিজ্জাটায় ভাগ বসাবার কেউ নেই। এটা শুধুই ওর একার।

এই ত্যাজ্যছাত্রগুলো, যারা নিজের প্রতিষ্ঠানেই ভর্তি হতে পারছে না তারা এর চেয়ে ভাল প্রতিষ্ঠানে কিভাবে ভর্তি হবে? অবধারিতভাবে এদের ঠিকানা ঐ সব কলেজগুলো যেগুলোর নাম শুনলেই আমাদের সভ্য সমাজ নাক সিঁটকায়। সেই সাথে মহাঅবাক হবার ভান করে বিজ্ঞ সুধী সমাজের সেই প্রশ্ন তো আছেই- “ওমা! রাজউকের মত ভাল কলেজ বাদ দিয়ে এইখানে ভর্তি হলে কেন? ওখানেই তো ভাল ছিলে।’ কিংবা বেশ সহানুভূতির সুরে তাকে দেওয়া সান্ত্বনা যেটা আসলে ব্যঙ্গর প্রতিশব্দ- ‘আহারে! রাজউকে ভর্তি হতে পারনি তাই না!’

অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, যেহুতু ছেলেটা খারাপ রেজাল্ট করেছে সেহুতু তাকে খারাপ কলেজে পাঠিয়ে দেয়া হোক যাতে সে আরো খারাপ রেজাল্ট করতে পারে। তাহলে কেন সমাজ সরাসরি এটা বলছে না? অযথা কেন মূলা ঝুলিয়ে, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাখছে? তার চেয়ে বরং ওদেরকে বলে দেওয়া হোক- পড়াশোনা বাবা তোমাদের দেয়া হবে না, তোমরা বরং রিকশা চালাও, তোমাকে রিকশা কিনে দেব। কিন্তু না! সমাজপতিরা ওটাও হতে দেবেন না। এই অভাগা ত্যাজ্যছাত্রদেরকে তারা না মূলধারায় মিশতে দেবেন, না দেবেন হোটেলবয়ের চাকরি করে লামছাম কিন্তু সুন্দর একটা যাপিত জীবনের গপ্পো শেষ বয়সে নাতি-পুতিদেরকে শোনাতে। আমাদের সমাজে বস্তির ছেলেদের হোটেল বয়ের চাকরি করার অনুমতি আছে কিন্তু একজন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের ছেলের নেই। তাকে সমাজের ঠিক করে দেওয়া সংজ্ঞায়ন অনুযায়ী মূলধারায় থাকতেই হবে অথচ সমাজ তাকে সেই মূলধারায় নেবেও না। নেই সমাজের তথাকথিত অনগ্রসর অংশে ব্যাকগিয়ার দিয়ে চলে যাওয়ার সুযোগও। এই ছেলেগুলো তাহলে যাবে কই

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা বড্ড কিউট। আমাদের স্কুল-কলেজগুলো বাছাই করে ভাল ভাল ছাত্র ভর্তি করবে। এরপর সেই ভাল ছাত্ররা যখন স্বাভাবিকভাবে নিজ যোগ্যতায় ভাল ফলাফল করবে তখন তার ফুল ক্রেডিট নেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, বিজ্ঞপ্তি পাঠাবে- প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলীর আন্তরিক শ্রম ও প্রচেষ্টা এবং প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ্যের কার্যকারী মনিটরিঙের ফলে এই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ত্যালা মাথায় তেল দেয়া বাঙালির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানেও তার স্বার্থক প্রমান দেখা যায় বৈকি।

আরেকটা প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়। রেসিডেনসিয়াল বলুন আর রাজউক বলুন আর যে নামীদামী স্কুল-কলেজের কথাই বলুন। এগুলোও কিন্তু ক্লাস বা ক্লাস থ্রীতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাইকৃত ছাত্রদেরকেই ভর্তি করেছিল। অর্থাত, এরা যখন এই প্রতিষ্ঠাগুনগুলোয় পা রেখেছিল তখন তাদের মেধা-যোগ্যতা আপ টু দ্য মার্কই ছিল। কিন্তু এখন এদের যোগ্যতা কমে গেছে। তাহলে দায় কার? বাপ-মা তো প্রয়োজনীয় পরিমান যোগ্য করে এরপরই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করেছিল। এখন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব ছিল এদেরকে বের করে দেয়ার সময় উচ্চ শিক্ষার জন্য একই মানের প্রতিষ্ঠানের উপযোগী মানে উন্নীত করে তারপর বের করে দেয়া। এই ত্যাজ্যছাত্রদের এ মানে কি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? ত্যাজ্যছাত্রদের মানঅবনমনের দায় তাহলে কার?

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন ম্যান সিটি-শেখ জামাল মার্কা। টাকা ঢাল, বেস্ট বেস্ট প্লেয়ার কিনো, ভাল রেজাল্ট বের কর। কিন্তু কেউ ভাল প্লেয়ার প্রডিউস করতে চায় না। এক কালে শিক্ষকরা ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর। আজ? আজ যে কি তা ওনারাও ঠিকমত জানেন কিনা আমার সন্দেহ আছে। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, ম্যান সিটি-শেখ জামালরা হয়ত অনেক অনেক টাইটেল জিতবে। কিন্তু কোনদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা পাবে না। এই ফেইক-মেকি এরিস্ট্রোকেসির দম্ভও বেশীদিন থাকবে না। এর চেয়েও বড় ধনকুবের আসবে, এর চেয়েও বেশি টাকা ঢালবে। এর চেয়েও ভাল রেজাল্ট করবে তার ক্লাব। কিছুদিন পর সেও হারিয়ে যাবে এখনকার মত করে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় চিরদিন লেখা থাকবে লিওনেল মেসি, প্রোডাক্ট অব এফসি বার্সালোনা। ওটা টাকা দিয়ে কেনা যাবে না চৌধুরী সাহেব।

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

শখের লেখক, ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট, কিশোর ও ক্রীড়া সাংবাদিক। বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। আদি নিবাস রংপুর।
আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

Latest posts by আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম (see all)

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

শখের লেখক, ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট, কিশোর ও ক্রীড়া সাংবাদিক। বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। আদি নিবাস রংপুর।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top