ঢাকা, সোমবার, ২৪শে জুন ২০১৯ , ১০ই আষাঢ় ১৪২৬, সন্ধ্যা ৭:৪৮

তুমি কি এসএসসি ব্যাচ ফিফটিন?

জিপিএ ৪.০০ পাইলেই বুয়েটে পরীক্ষা দেওয়া যায়। SSCর রেজাল্ট কতটা গুরুত্ববহ শুধু এই একটা ইনফরমেশন দিয়েই বুঝতে পারতেছ। এরপরও এক সাবজেক্টে এ প্লাস না আসায় কিংবা কোন কারনে ৪.৯৪ পাওয়ায় তুমি যদি আত্মহত্যা কর তাহলে আমি তোমার বাবা-মার নামে মামলা করব। কারন, তোমার মত একটা অপদার্থ এতগুলো বছর পৃথিবীর মহামূল্যবান অক্সিজেন কনজিউম করল এজন্য তোমার বাবা-মায়ের কাছ থেকে ক্ষতিপূরন নেয়া উচিত। সেই সাথে একটা কথা-
No one gives a shit about you. If you die, you die. Your parents gonna cry for a week or two, then they will also move on.

আত্মহত্যা অনেক পরের কথা, মন খারাপ করাটাও তো উচিত না। অনেকে অনেক কথা বলবে। অনেক সুশীল বলবে পড়াশোনা দিয়ে কিছুই যায় আসে না। সার্টিফিকেট দিয়ে মানুষকে জাজ করা যায় না। এসব তত্ত্বকথা ছেড়ে বাস্তবতায় তাকাও। বিল গেটস ভার্সিটি ড্রপ আউট হয়েও বিল গেটস। কিন্তু তুমি যদি ভার্সিটি ড্রপ আউট হও তাহলে গুন্ডা, কেরানী কিংবা সর্বোচ্চ মাঝারি মানের ব্যবসায়ীর চেয়ে বড় কিছু হতে পারবে না। সার্টিফিকেটের মূল্য আছে। দিনশেষে তোমাকে এই সমাজেই বাস করতে হয়। ভুল হোক ঠিক হোক, সমাজ সার্টিফিকেট দিয়েই মানুষ বিচার করে। SSC গুরুত্বপূর্ন নয় বলে সামনেরগুলো অগুরুত্বপূর্ন তা না। SSC খারাপ হয়েছে, সামনেরটা ভাল দিতে হবে। বেশী করে নজরুলের গান শুনবা-
ঘুমাইয়া কাজা করেছি ফজর
তখনো জাগিনি যখন যোহর
হেলায় ফেলায় কেটেছে আসর
মাগরেবের ওই শুনি আজান
নামাজে শামিল হওরে এশাতে
এখনো জামাতে আছে স্থান!

লাইফটা একটা জিপিএস লোকেটরের মত। কখনো ফরেইন কান্ট্রিতে গিয়েছ? অন্তত হলিউডি ফিল্ম তো দেখেছ। সেখানে দেখ নাই কিভাবে গাড়ির জিপিএস লোকেটর কাজ করে? ধর তোমার যাওয়ার কথা ডানে। কিন্তু তুমে গেলা বামে। জিপিএস কিন্তু কাজ করা বন্ধ করবে না। ওটা আবার রুট রিক্যালকুলেট করে কিভাবে তোমার ভুল শুধরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যায় সে ব্যবস্থা করে দিবে। যদি তুমি একান্তই মনে কর যে তুমি SSCতে খারাপ রেজাল্ট করে ভুল করেছ তাহলে জিপিএস লোকেটর ইউজ কর। মনে রাখবা, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রুট রিক্যালকুলেট করে ঠিক জায়গায় পৌঁছা সম্ভব। যেহুতু তুমি আমার এই লেখাটা পড়ছ, এর অর্থ তুমি এখনো জীবিত আছ। এর মানে-
এখনো চলছে এই হৃদপিন্ডটা… হারিয়ে যাইনি…এখনো আছে বাকি সময় কিছুটা।

মনে পড়ে? অর্থহীনের সেই গান? অবশ্যই মনে পড়ে। তোমার প্লে লিস্টের ওয়ান অব দ্য ফেভারিট বাংলা গান। তাই না? গানের কথাগুলো নিজের জন্য কাজে লাগাও। তোমার বাবা-মার জন্য না, তোমার দিকে চেয়ে থাকা মানুষগুলোর জন্য না, রেজাল্ট খারাপ হয়ে গেলে ক্রাশকে প্রপোজ করা হবে না সেজন্য না, নিজের জন্য বাঁচতে শেখ। জীবনটা তো তোমারই। সো ফ্রেন্ডের টিপ্পনি, রিলেটিভদের ব্যঙ্গাত্মক হতাশা, ছোট ভাই-বোনদের গা জ্বলা করা সহানুভূতি কিংবা বাপ-মায়ের ‘তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না/ আহারে আমার সোনা চান/ কি একখান রেজাল্ট করছে’ মার্কা কথায় ভরকে যাবার কিছু নাই। পড়াশোনার প্রতি হতাশ হওয়ার কিছু নাই। তুমি নিজেই আইনস্টাইনের জীবনী পড়েছ। তুমিই না কথায় কথায় বিল গেটস আর স্টিভ জবসের উদাহরন দাও? টমাস আলভা এডিসন তুমি পড় নাই? তাহলে কেন তুমি হতাশ হচ্ছ? কেন তুমি ফ্রস্টেটেড বা ডিপ্রেসড হয়ে ড্রাগ নিবা? সিগারেটও ড্রাগ। ওটাই সবচেয়ে বড় ড্রাগ। ফ্রস্টেটেড বা হতাশ হওয়ার কিছু নাই। ইয়্যুটিউবে যাও। ‘কি হবে হতাশ হয়ে বাই মতিউর রহমান মল্লিক’ লিখে সার্চ দাও। গান শোন। লাইফটাকে রিচার্জ কর। ফ্

ফ্রেন্ডদের সাথে আউটিঙে যাও। যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়ে হ্যাং আউট করে আস, মুভি দেখ। লায়ন অব দ্য ডেজার্ট দেখেছ? লিবিয়ার ফ্রীডম ফাইটার ওমর মুখতারকে নিয়ে ফিল্ম? দেখ নাই? না দেখলে এখনই দেখে নাও। ফেইলিয়োর যে সাক্সেসের জন্য কত ভাল পিলার তার উদাহরন ওমর মুখতার। সো, হতাশ হওয়ার কিছুই নাই।

এরপরও যদি হতাশ লাগে তাহলে রবার্ট ব্রুসের ইতিহাস পড়। রবার্ট ব্রুস না। তুমি আমাদেরই ইতিহাস পড়। টিপু সুলতান, তিতুমীর কিংবা তোমার বাপ-দাদাদের। ইংরেজরা কি করেছিল তাদের সেটা কি তুমি জান? লাখে লাখে মুসলমানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল তারা। এরপরও কি তারা দমিয়ে রেখতে পেরেছে? আমরা স্বাধীন হয়েছিই। তুমি যদি মুসলমান হও তাহলে তোমার বাসায় অবশ্যই একটা কোরান আছে। অর্থসহ। সবার বাসাতেই আছে। পড়া হোক না হোক আছে। যেকোন একটা পৃষ্ঠা, তোমার ইচ্ছামত বের করে পড়তে থাক। কথা দিলাম, তুমি বেঁচে থাকার যথেষ্ট কারন খুঁজে পাবে।
তুমি যদি হিন্দু হও তাহলে তোমার ধর্ম বই খোল। রামায়ন পড়। রাবন বধের ইতিহাস দেখ। কিভাবে দুর্ভেদ্য লঙ্কা জয় হল সেটা কি তুমি জান না? তাহলে কেন তুমি ভাবছ তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না কিংবা তোমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে? তোমার তো কিছু শুরুই হয় নাই এখনো।

এতক্ষন যা বলছিলাম সেটা আসলে তোমার জন্য প্রযোজ্য না। আবার হতে পারে এরপর যা বলব সেটা তোমার জন্য। কারন এখনকার কথাগুলো তাদের জন্য যারা কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট অর্জন করতে পেরেছে।

সবার আগে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ধন্যবাদ। এরপর তোমাকে ধন্যবাদ। হয়ত তোমার বাবা-মা তোমাকে অনেক কেয়ার করেছে। তোমার হাউস টিউটর, কোচিং কিংবা স্কুলের স্যাররা অনেক হেল্প করেছে। কিংবা আজকালকার যে শিক্ষাব্যবস্থা তা থেকেও তুমি হয়ত অনেক ‘বৈদেশিক সাহায্য’ পেয়েছ। কিন্তু আল্টিমেটলি রেজাল্টটা তোমার, এবং শুধুই তোমার। কাজেই এই মোমেন্টটা আনন্দ করার। খাও-দাও, সেলিব্রেট কর।

দেখ, আমি যখন ক্লাস থ্রিতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম তখন আমাকে বলা হয়েছিল এটাই নাকি লাইফের সবচেয়ে ক্রুশিয়াল এগজাম। এরপর ফাইভের স্কলারশিপ, এইটের জেএসসি, টেনের এসএসসির সময়ও একই ডায়ালগ। অবশ্য প্রতিটা এগজামের রেজাল্ট হওয়ার পরই ডায়ালগ চেঞ্জ হয়েছে, ‘এইটা তো প্রাইমারি স্টেজের পরীক্ষা। নেক্সটেরটাই আসল।’ এইসব কথায় কান দেয়ার কোনই দরকার নেই। ক্লাস ওয়ানের বার্ষিক পরীক্ষায় ফেল করে তুমি ক্লাস টুতে প্রমোশন পেতে না। ক্লাশ টুতে প্রমোশন না পেলে আজকে এসএসসি পরীক্ষাও দিতে পারতে না। সো, ক্লাশ ওয়ানের বার্ষিক পরীক্ষাও অগুরুত্বপূর্ন না। হয়ত তুমি যে পরীক্ষাটা পাশ করেছ সেটা সহজ, কিন্তু মোটেই ‘নকল’ কিংবা অগুরুত্বপূর্ন না। তোমার কৃতিত্বটা এঞ্জয় কর, বেশী করে গান শুনো-
মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল।
মোরা বিধাতার মত নির্ভয় মোরা প্রকৃতির মত সচ্ছল।।
মোরা আকাশের মত বাধাহীন, মোরা মরু-সঞ্চার বেদুঈন,
মোরা জানি না কো রাজা রাজ-আইন, মোরা পরি না শাসক-উদখল।
মোরা বন্ধন-হীন জন্ম-স্বাধীন, চিন্তা মুক্ত শতদল।

বয়সটাই এরকম। আইয়ুব বাচ্চুর মত তোমাদের মনেও এখন বলগা হরিণ ছুটবে এটা অস্বাভাবিক কিছু না। কিন্তু বড় হতে চাইলে বল্গাহরিণে লাগাম পরানোটা জরুরী। আমার বহু ফ্রেন্ড, যারা SSCতে গোল্ডেন পেয়েছে তারা এখন ফার্স্ট ইয়ার ফাইনালে তিন-চার সাবজেক্টে ফেল করে কলেজ থেকে বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে আছে। কাজেই আনন্দ কর আর যাই করো, তোমার এচিভমেন্ট নিঃসন্দেহে অনেক বড়। কিন্তু সামনে আরো অনেক কিছু এচিভ করা বাকি আছে।

গত দুই-তিন ধরে মসজিদে তোমার অত্যাচারে জায়গা হচ্ছিল না। আজকে রেজাল্ট দিচ্ছে। আশা করব এরপর তোমাদের এই অত্যাচার হঠাত বন্ধ হয়ে যাবে না। নিজের শেকড় ভুলে যেয়ো না। তুমি কে, কোথা থেকে এসেছ, কেন এসেছ, তোমাকে কোথায় যেতে হবে এগুলো মনে রাখবা। ঐ উক্তিটাতো জানো নিশ্চয়ুই? নো দাইসেলফ? সামনে ইন্টার। ২ বছরের ছোট কিন্তু খুব ভাইটাল একটা সময়। এসময়টায় অনেকের পাখা গজায়। এই পাখা কাউকে উড়িয়ে স্বপ্নভূমিতে নিয়ে যায়। আবার কারো ক্ষেত্রে ‘পীপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে’ উক্তিটা সত্য হয়ে যায়। পারমিটেবল সব কিছুই কর, কিন্তু লিমিটের ভেতর থেকে। আর ঐ গানটার কথা খেয়াল আছে তো?
“হায় হায় হায় দিন চলে যায় কোরান পড়লাম না
কত নোভেল নাটক পড়লাম, হাদীস ধরলাম না যে …”

ইন্টারে উঠতেছ। আমি নিজে খুব একটা ভাল ছাত্র না উপদেশ দেয়ার মত। কিন্তু নিজের লাইফ থেকে কিছু বিষয় উপলব্ধি করতে পেরেছি সেটা জানানোটা দায়িত্ব মনে করছি। নিজের গ্রুপ নিয়ে কোন কনফিউশন থাকলে গ্রুপ চেঞ্জ করে ফেল। সাইন্স সবার জন্য না। সবাই যদি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয় তাহলে সক্রেটিস, প্লেটো কিংবা এরিস্টটল হবে কে? আমরাই বা মুহম্মদ ইউনিস কিংবা অমর্ত্য সেন তাহলে কোত্থুকে পাব?
কিন্তু যদি কনফিডেন্ট থাক যে সাইন্স নিয়ে পড়বা তাহলে ডিসিশনের উপর ফার্ম থেকে স্রষ্টার উপর বিশ্বাস রেখে সামনে আগাও। পরে গ্রুপ চেঞ্জ কিংবা পিছু হটার কোন চিন্তাও মাথায় এনো না।
ব্যক্তিগতভাবে আমি সাইন্স পড়তে চাচ্ছিলাম না। ফ্যামিলির কারনেই মূলত সাইন্স পড়তে হচ্ছে। মাঝখানে তাল মেলাতে না পেরে খুব হতাশও ছিলাম। কিন্তু পড়াশোনা নিয়মিত করলে এটা ওভারকাম করা খুব সহজ। ডিপ্রেসড হয়ে পড়া ছেড়ে দিলেই প্রবলেম। কষ্ট করে খানিকটা পড়লেই এটা নিয়ে কন্টিনিউ করা যায়। এখন আবার মনে হচ্ছে, ভাগ্যিস সাইন্স ছেড়ে অন্য কোন গ্রুপ নেই নাই।
শেষ পর্যন্ত লাইফটা তোমার। ডিসিশনটাও তোমার। নিজের যেটাতে ইন্টারেস্ট পাও সেটাই নাও। তবে সেই সাথে ক্যরিয়ার গোল, ফ্যামিলি, সোশ্যাল সিচুয়েশন, ফাইন্যান্সিয়াল এবিলিটিও মাথায় রাখা দরকার।

যেহুতু তুমি গোল্ডেন পেয়েছ বা এ প্লাস পেয়েছ, এর অবশ্যই কিছু বেনিফিট আছে। এর সবচেয়ে বড় বেনিফিটটা হচ্ছে তুমি ভাল একতা কলেজে ভর্তি হতে পারবা। হাল আমলের ‘ঘরে ঘরে এ প্লাস বিতরন’ কর্মসূচীর আওতায় এ প্লাস সংখ্যা অনেক হওয়ায় ভাল কলেজে ভর্তি হতে লোয়েস্ট কোয়ালিফিকেশন লাগে গোল্ডেন। এটা তোমাকে অনেক এগিয়ে রাখবে আনলেস তোমার কোটা থাকে। এই এগিয়ে থাকাটা কাজে লাগাও। আমি নিজে নটর ডেমে চান্স পাইনি। কিন্তু ওখানকার পড়াশোনার স্টাইল দেখেছি। আমি তোমাকে সাজেস্ট করব নটর ডেমে ভর্তি হওয়ার। যদ্দুর শুনেছি এবছরও নটর ডেমে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই ভর্তি নেবে। এরপর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ঢাকা কলেজ, রাজউক, মুন্সী আব্দুর রউফ, নূর মোহম্মদ, সরকারী বিজ্ঞান কলেজ, কমার্স কলেজসহ আরো অনেক ভাল কলেজ আছে। মেয়েদের জন্য হলিক্রস বা ভিকারুন নিসা আছে। ঢাকার বাহিরে চট্টগ্রাম কলেজ, এমসি কলেজ, আজিজুল হক কলেজ, বিএল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজ, কারমাইক্যাল কলেজসহ আরো অনেক ভাল ভাল কলেজ আছে।
কলেজ নির্বাচনটা গুরুত্বপূর্ন, কিন্তু খুব বেশী গুরুত্বপূর্ন না। যদি তুমি তোমার বর্তমান পরিবেশেই কমফোর্ট ফিল কর তাহলে সেখানেই থাক। কারন অনেক সময়ই এরকম বড় পরিসরে অনেকেই এডপ্ট করতে পারে না।
একটা ছোট্ট উদাহরন দেই। ধর, তুমি দেশের সবচেয়ে ভাল কলেজে পড়। সেখান থেকে ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে ৯৯ জন্যই গোল্ডেন পেয়ে পাশ করল, একটা ছাত্র ফেল করেছে শুধু। আর সেই একজন হচ্ছ তুমি। তাহলে ঐ ভাল কলেজ ধুয়ে কি তুমি পানি খাবে? বরঞ্চ নিজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ কর এমন পরিবেশ যেখানে আছে সেখানে যাও, হুজুগে গা ভাসানোর দরকার নেই। প্রচুর বড় ভাইয়া-ক্লাসমেটদের দেখেছি যারা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে না পেরে হারিয়ে গেছে কিংবা ইয়ার ড্রপ দিয়েছে।

আপাতত আর বড় করছি না। এর মধ্যেই তুমি হাঁফিয়ে গেছ। অনেকেই পড়তে শুরু করে অধৈর্য্য হয়ে পুরোটা না পড়েই উঠে গেছ। যারা মিস করেছ তারা তো মিস করেছই। সব শেষে দু’টো কথা।
এক, SSCতে ফেল ছাড়া খারাপ রেজাল্ট বলে কোন কথা নাই। যারা এ প্লাস পেয়েছ তারা ভাল করেছ। যারা এ প্লাস পাও নাই তারা আরও ভাল করেছ। সবাইকে কংগ্রাচুলেশনস।
দুই, যারা এ প্লাস পাও নাই কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমাকে চেন তারা আমার সাথে যোগাযোগ করো। তোমাদের জন্য স্পেশাল ট্রিট আছে। কারন France was saved by her idlers.

পুনশ্চঃ আগামীকালকের সংবাদপত্র মোতাবেক কোন ছাত্র SSC পরীক্ষা দেয়ও নাই, পাশও করে নাই। তোমরা যারা ছাত্র হয়েও পত্রিকার প্রথম পাতায় খোমা দেখাইতে চাও তাদের জন্য পাবলিক টয়লেটের তলাফাটা বদনাভরা হতাশা।

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম
ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

শখের লেখক, ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট, কিশোর ও ক্রীড়া সাংবাদিক। বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। আদি নিবাস রংপুর।
আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

Latest posts by আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম (see all)

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

আশরাফ আজীজ ইশরাক ফাহিম

শখের লেখক, ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট, কিশোর ও ক্রীড়া সাংবাদিক। বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। আদি নিবাস রংপুর।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top