ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ , ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫, সকাল ১১:৪৬

গ্রীষ্মকালীন দাবানলে পর্তুগাল-স্পেনে কমপক্ষে ৪৯ জন নিহত

গ্রীষ্মকালীন দাবানলে পর্তুগালে কমপক্ষে ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন হাজারো মানুষ। রবিবার থেকে চলতে থাকা দাবানলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে মঙ্গলবার রাতের বৃষ্টির কারণে।

দাবানলের কারণে সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠাও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে স্পেন, পর্তুগালের কয়েক হাজার ফায়ার সার্ভিস কর্মী।

কমপক্ষে ১৪৫ টি দাবানলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া ইউরোপরে দিকে ধেয়ে আসা হারিকেন ওফেলিয়ার কারণে আগুন ক্রমেই অারো ছড়িয়ে পড়েছিলো। মঙ্গলবার রাতের বৃষ্টিতে দাবানলের মাত্রা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

এর আগে রোববার থেকে পর্তুগালের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। উত্তরাঞ্চলের আগুন ছড়িয়ে পড়ে স্পেন সীমান্তেও। স্পেনের গ্যালিসিয়ায় সড়কের পাশে গাড়িতে মৃত অবস্থায় দুইজনকে পাওয়া যায়।

পর্তুগালের কোইমব্রা, গুয়ারদা, ক্যাসটেলো ব্রানসা এবং ভিসেও এলাকায় দাবানলের প্রথম দিকেই ৩১ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। আহত হয় হাজারো মানুষ। এদের মধ্যে বেশিরভাগে অবস্থা গুরুতর। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও অনেকে, এদের মধ্যে এক মাস বয়সী শিশুও রয়েছে।

দাবানলের কারণে পর্তুগালের টাগুস নদীর উত্তরাঞ্চলে স্থলবেষ্টিত এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া স্পেনের প্রধানমন্ত্রী গ্যালিসিয়া এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রবিবার হতে চলতে থাকা দাবানলে নিয়ন্ত্রণ অানতে না পারায় পর্তুগিজ সরকারের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে সাধারণ নাগরিকদের। তারা দাবানল নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ গুলো যথার্থ নয় বলে মনে করছে। অনেকেই এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করেন।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
Loading...